বড় বোনের প্রতারণা থেকে মুক্তি পেতে ছোট বোনের আর্তনাদ

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় বড় বোনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে আর্তনাদ করেন ছোট বোন সাবেক ইউপি সদস্য রত্না আক্তার। রত্না আক্তার উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের মেয়ে ও সে দুই বারের সাবেক ইউপি সদস্য।

রত্না আক্তার মৌখিক অভিযোগ করে বলেন, তার বড় বোন শাহিদা, বোন জামাই মোশারফ ও তাদের ছেলে কামরুজ্জামান ইমরান মিলে, রত্না আক্তারকে ব্যাংক থেকে লোন তুলে দিবে বলে মর্গেজ দলিলের নামে প্রতারণা করে রত্নার নামের ৭২ শতক জায়গা রেজিস্ট্রি করে নিয়ে নেয় এবং একাধিক চেকে স্বাক্ষর নিয়ে উল্টো তার নামে মামলা করে দিয়েছে বলে এমন অভিযোগও করেন রত্না।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি যখন বুঝতে পেরেছে তার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে তখন স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলমকে অবগত করলে শাহ আলম মেম্বার আশ্বস্ত করেন বিচার করে দিবে কিন্তু বিচার না করে মেম্বারসহ মোট ৪জনে শাহিদার কাছ থেকে ২৮ শতক জায়গা কিনে নিয়েছে।

এছাড়াও আমার নামে মাছ মারার একটি মিথ্য মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে। এসময় রত্না কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং বলেন তার কোন ছেলে-মেয়ে ও স্বামী নেই বর্তমানে রত্নার এক হাত-এক পা অপোষ তিনি ঠিক মতো হাটতেও পারেনা। রত্না আক্তারের দাবি স্থানীয় এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার ও ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন ভূইয়া সুদৃষ্টি দিলে এবং সঠিক বিচার করলে তার পিতার দেয়া বাড়িটি ফিরে পাবে।

এদিকে শাহ আলম মেম্বার তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি করে বলেন, রত্না মেম্বারের সাথে যায়গা জমিন নিয়ে আমার কোন প্রকার বিরোধ নেই। আমি রত্না মেম্বারে বড় বোন শাহিদার কাছ থেকে সাবকাবলা দলিল মুলে ৮ শতক ভূমি ক্রয় করেছি এবং শাহিদার দলিল বাতিল হলে আমার দলিলও বাতিল হবে, এতে আমার কোন আপত্তি নেই। তবে শাহিদার ছেলে ইমরান বিদেশ পাঠানোর কথা বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদেরকে নিঃস্ব করেছে এমনটা আমি জানি। অপর দিকে রত্না মেম্বারের বোন জামাই মোশারফ বলেন রত্নার কাছ থেকে আমার স্ত্রী শাহিদা ৭২ শতক ভূমি নগদ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছে, সেই ভূমি আমার স্ত্রী বিক্রি করেছে।

বার্তাবাজার/অমি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর