নীলফামারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারী পণ্য

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মহল্লার বেকারী গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারী পণ্য। এসব পণ্য শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ লোক পর্যন্ত সবাই খাচ্ছেন। যার ফলে বেশি ঝুকিতে আছেন কোমল শিশু ও বৃদ্ধরা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সরেজমিনে উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের ডোংগা মৌলভীপাড়ার সাইনবোর্ড বিহীন নওশাদ বেকারীতে দেখা যায় কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারী পণ্য। কারিগরদের শরীরে নেই কোনো কাপড়, হাতে ও নেই কোনো গ্লাবস, মুখে নেই মাস্ক, শরীর দিয়ে অঝরে ঘাম ঝরছে। কারখানার ভিতরে কাঁদা নর্দমায় গড়াগড়ি খাচ্ছে সবপণ্য।

অপর দিকে বেকারির বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই বাহিরের আশার আলো বেকারীর মোড়ক ব্যবহার করে বাজারজাত করছেন। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ উর্ওীন্ন তারিখের কোনো সীল বা লেখা নেই।

বেকারীর মালিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এখানে আমার বেকারীর কাজ করে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি।

চাঁদখানা ইউনিয়নের ডোংগা মৌলভীপাড়ার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমাদের চোখের সামনে এসব খাবার তৈরি হচ্ছে। তবুও আমরা না দেখার ভান করে থাকি। কেননা, আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের উপর ক্ষেপে যায়। তারা আরও বলেন চোখে দেখে এসব কি খাওয়া যায়? তাই আমরা এসব খাইনা।

এব্যাপারে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আহমেদ আলী শাহ বলেন, আমি আগে কিছু বলতে পারছি না। নিজে গিয়ে দেখার পর আপনাকে জানাবো।

এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু সফি মাহমুদ বলেন, এসব অস্বাস্থ্যকর খাবারে মানুষের অনেক রোগ হতে পারে। ডায়রিয়া, বমি, এসিটিডি, মাথা ধরা সহ আরো অনেক রোগ হতে পারে এবং বিশেষ করে কোমল শিশুদের বেশি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর