ইউরোপীয় চিকিৎসাশাস্ত্রে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী চিকিৎসক কাদম্বিনী বসু গঙ্গোপাধ্যায়ের ৯৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। কাদম্বিনী গাঙ্গুলী ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ২ জন মহিলা স্নাতকের একজন
ব্রাহ্ম সংস্কারক ব্রজকিশোর বসুর কন্যা কাদম্বিনীর জন্ম ১৮৬১ সালের ১৮ই জুলাই বিহারের ভাগলপুরে। তাঁর মূল বাড়ি ছিল বাংলাদেশের বরিশালের চাঁদসিতে। তার বাবা ভাগলপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কাদম্বিনী পড়াশোনা আরম্ভ করেন বঙ্গ মহিলা বিদ্যালয়ে। কাদম্বিনী প্রথম নারী হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাস করেন।
১৮৮৩ সালে বেথুন কলেজের প্রথম স্নাতক হয়েছিলেন কাদম্বিনী এবং চন্দ্রমুখী বসু বেথুন। এরপর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার পরপরই বিয়ে করেন শিক্ষক দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে। ১৮৮৬ সালে তাঁকে গ্র্যাজুয়েট অফ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ ডিগ্রি দেয়া হয়।
তিনি ৫ বছর মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করার পর ১৮৯২ সালে বিলেত যান। এক বছর পরে এলআরসিপি (এডিনবরা), এলআরসিএস (গ্লাসগো) এবং ডিএফপিএস (ডাবলিন) উপাধি নিয়ে দেশে ফেরেন। প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে তিনি পাশ্চাত্য চিকিৎসারীতিতে চিকিৎসা করার অনুমতি পান।
কাদম্বিনী সূচিশিল্পে নিপুণা ছিলেন। ৮ সন্তানের মা হওয়ায় সংসারের জন্যও তাকে বেশ সময় দিতে হতো। ১৯২৩ সালের ৩ অক্টোবর হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি