‘চুরির অপবাদ’ দিয়ে কিশোরকে নির্যাতন

নওগাঁয় মোবাইল ফোন ‘চুরির অপবাদ’ দিয়ে এক কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের পর ওই কিশোরের চিকিৎসার জন্য খরচ দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষকসহ কয়েকজন।

ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা অভিযোগ, গত ২১ সেপ্টেম্বর একটি মোবাইল ফোন চুরির দায় চাপানো হয় তার অভিযুক্ত ছেলের ওপর। বুধবার বিকেলে তার ছেলেকে ডেকে গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন বাবুলের বাড়িতে নিয়ে যান রাণীনগর উপজেলার মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লুৎফর রহমানসহ কয়েকজন। তারা তাকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরে গ্রামের লোকজন শালিস-বৈঠক করে ছেলের চিকিৎসার জন্য আট হাজার টাকা দিয়ে মীমাংসা করেছে।

এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেননি বলে জানান ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা।

অভিযুক্ত শিক্ষক লুৎফর রহমান বলেন, “মোবাইল ফোন চুরি করেছে এমন সন্দেহে চড়-থাপ্পড় দিয়েছি। তবে চিকিৎসা বাবদ কিছু খরচ দিয়ে শুক্রবার সমাধান করা হয়েছে।”

আরেক অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন বাবুলও ‘চিকিৎসা বাবদ কিছু খরচ’ দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমার বাড়িতেই বসা হয়। পরে চিকিৎসা বাবদ কিছু খরচ দিয়ে বিবাদ সমাধান করা হয়েছে।”

রাণীনগর থানার ওসি মো. জহুরুল হক জানান, অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর