ঢাকা থেকে শরণখোলার রায়েন্দা রুটের রুট পারমিট নিয়ে দুটি দোতাল াল মঠবাড়িয়ার তুষখালী পযন্ত চলাচল করার অভিযোগ উঠেছে। এতে রায়েন্দা থেকে ঢাকা এবং চাঁদপুর হয়ে চট্রগ্রামগামী যাত্রীদের অসহনীয় দুভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি বলেশ্বর নদীতে রায়েন্দা-বড় মাছুয়া ফেরি চলাচলের দাবি জানানো হয়েছে। উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলার মানুষের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াতের জন্য ল দুটি রায়েন্দা পর্যন্ত চালু এবং বলেশ্বর নদীতে ফেরি বরাদ্ধের দাবিতে শুক্রবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
শরণখোলা প্রেসক্লাবের সামনে দুপুরে অনুষ্ঠিত এ কর্মকসূচীতে সিপিবির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ্রগ্রহন করেন। মানববন্ধন শেষে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের কাছে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল বাস্তবায়নের দাবি তুলে বক্তৃতা করেন সিপিবির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রতন দাস, সিপিবি নেতা নির্মল দাস, ইউসুফ খান, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ তালুকদার, যুবনেতা সঞ্জয় কুলু, মৎস্যজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদ সোলায়মান ফরাজী প্রমূখ।
জানা যায়, শরণখোলা উপজেলা সদর পর্যন্ত রুট পারমিট থাকার পরও লঞ্চগুলো পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী ঘাট পর্যন্ত এসে থেমে যায়। কিন্তু লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পড়েছে। তুষখালী থেকে মাত্র এক ঘন্টার পথ পাড়ি দিলেই রায়েন্দা লঞ্চ ঘাট। অথচ, কোন অদৃশ্য কারণে দীর্ঘ ২০বছর ধরে শরণখোলাবাসী এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।
এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় তিন বছর আগে বিআইডব্লিউটিএর মাধ্যমে প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ঘাট নির্মান ও পরে একটি আধুনিক পন্টুও স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু লঞ্চ আসে আসে করে আর আসেনি। একপর্যায়ে কর্তৃপক্ষ মাস ছয়েক আগে রাতের আধারে সেই পন্টুটিও এখান থেকে তুলে নিয়ে যায়। এখন খালি ঘাটটি পড়ে আছে।
রায়েন্দা বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন, মোস্তফা তালুকদার, শহিদুল ইসলামসহ অনেকেই জানান, ল সার্ভিস চালু থাকলে শরণখোলার ব্যবসায়ীদের ঢাকা-খুলনা থেকে পণ্য পরিবহন অত্যন্ত সহজতর হতো। তাছাড়া, জনসাধারণও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরামদায়ক যাতায়াত করতে পারতো। তাই দ্রুত যাতে শলণখোলা পর্যন্ত লঞ্চ সেবা চালু হয়, সেব্যাপারে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান তারা।
এব্যাপারে কথা বলার জন্য বিআইডব্লিউটিএর খুলনার বন্দর কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তাকে অসময়ে (দুপুর ২টা ৫৭মিনিট) ফোন করায় বিরক্ত হন। রাগান্বিত হওয়ায় তিনি তার নামটিও বলতে রাজি হননি। একপর্যায়ে এব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান।
বার্তা বাজার / ডি.এস