দত্তপাড়া ইউনিয়ন হয়ে বশিকপুর, হাজিরপাড়া, ও উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন। এই চারটি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র যাতায়াতের ব্যবস্থা লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন বটতলী-দত্তপাড়া সড়ক। প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় চরম দূর্ভোগ স্থানীয় এলাকাবাসীসহ যাতায়াতকারী ওইসব ইউনিয়নের মানুষ।
গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিতে সামান্য বৃষ্টিতে হলে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। একইসাথে ঘটছে দূর্ঘটনা। প্রতিদিন কোন না কোন ভাবে দূর্ঘটনার শিকার হয়ে আহত হচ্ছেন আবার নষ্ট হচ্ছে যানবাহনও। দুর্ঘটনায় যানবাহন কিংবা মানুষ আহত হচ্ছে। তাপরও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে লাখ লাখ মানুষ।
চারটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের অধিবাসীদের চলাচলের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটিতে সিএনজি, ইজিবাইক, পণ্যবাহী ভ্যান, পিকআপ, মোটরসাইকেল বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। সড়কের আংশিক পাকাকরণ হলেও বেশিরভাগ এখনো কাঁচা। এতে কাদায় একাকার ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। চলতি বর্ষা মৌসুমে সড়কটির বেশিরভাগ অংশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে যেন ফসলী জমিতে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন সড়কটির সংস্কার হয়নি। বৃষ্টি হলে সড়কটি দিয়ে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচলও কষ্টকর। সড়কের বেহাল দশার কারণে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চরম কষ্টে চলাচল করতে হয়। এ যেন ভোগান্তির শেষ নেই।
দত্তপাড়ার জনপ্রতিনিধরা জানান, সড়কটির দুরাবস্থার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কার দরকার।
দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহসানুল করিম রিপন জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি উন্নয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকাবাসী। সড়কটি সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তিনিও তবে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, সরকার এখন যেভাবে উন্নয়ন করছে তাতে কোনো সড়কই অনুন্নত থাকার কথা নয়। ক্রমান্বয়ে সকল সড়কের আধুনিকায়ন হবে।
বার্তাবাজার/অমি