যুবলীগের আসন্ন কাউন্সিলকে ঘিরে চারদিকে বইছে আনন্দের বন্যা। সেই সঙ্গে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা আর জল্পনা কল্পনা। কিশোরগঞ্জ জেলার নেতৃত্ব কে দিবেন ঐহিত্যবাহী এ যুব সংগঠনটির। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ও দলের ভেতরে শুদ্ধি অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্হানে যুবলীগের কয়েক নেতার গ্রেফতার ও নেতিবাচক সমালোচনায় ইমেজ সঙ্কট কাটাতে নতুনদের হাতে নেতৃত্বের ভার তুলে দেয়ার দাবি ওঠে। এ কারনেই ত্যাগী, স্বচ্ছ, দলের প্রতি নিবেদিত, পদ প্রত্যাশীরা এখন বেশ চাঙ্গা।
কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন নাম এখন নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে। কিশোরগঞ্জ জেলা যুবলীগের দায়িত্বে তাকে দেখতে চায় নেতা-কর্মীরা। কর্মীরা তাকে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায়। এজন্য অঙ্গসংগঠনটির মূল দল আওয়ামী লীগের কান্ডারী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে তারা এ বিষয়ে দাবিও তুলেন।
তবে যাকে নিয়ে এত কিছু সেই সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকাবস্থায় বিএনপি সরকারের রোষানলের শিকার হই। সব সময় শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনায় কাজ করেছি। এখন দল ক্ষমতায়। কখনও নিজের প্রয়োজনে কিংবা ভোগ বিলাসের জন্য দলের কাছে কিছু প্রত্যাশা করিনি। আজো করবো না। তবে দল যদি চায় আমাকে সংগঠনের নেতৃত্বের ভার দিবে আমি কখনোই না করবো না।
বিশেষ করে আমাদের সকলের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণা পেলে দল ও দেশের স্বার্থে নিজেকে উৎসর্গ করকে সর্বদা প্রস্তুত আছি। আমি তার নির্দেশনা পেলে নিজেকে সংগঠনের স্বার্থে উজাড় করে দিবো এ প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। করোনাভাইরাস এবং বন্যায় দেশ আক্রান্ত হলে আমাদের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার আহব্বানে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি ফজলে নুর পরশ এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিল ভাইয়ের দিকনির্দেশনায় কিশোরগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলার প্রত্যন্ত অন্চলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি । ঈদে দিয়েছি ঈদ উপহার।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাচাই-বাছাই করেই যোগ্য,. গ্রহণযোগ্য পরীক্ষিত নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব দিবেন।
এক সময়ের তুখোড় ছাত্র নেতা সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন। যিনি আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের কান্ডারী।
কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সামিউল হাসান চৌধুরী লিমনের চাচা ইটনা উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, বড়ভাই মহামান্য রাষ্টপতি আব্দুল হামিদ সাহেবের সাবেক এপিএস ও ইটনা উপজেলা পরিষদের দুইবারের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান। সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবলীগের নেতাকর্মীদের কাছে একটি আস্থার নাম। যুবলীগের আসন্ন কংগ্রেসকে সামনে রেখে বিভিন্ন দিক বিবেচনায় ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব খুঁজছে আওয়ামী লীগ। দলের অনুপ্রবেশকারী অপশক্তির হাতে জিম্মি যুবলীগকে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিতে ফিরিয়ে আনতে যেকোনো মূল্যে ত্যাগী ও আস্থাভাজন নেতৃত্বের হাতে যুবলীগ ফিরে পাবে প্রান, এমনটাই আশা করছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ও নীতি নির্ধারনী মহল। আস্থাশীল নেতৃত্ব হিসেবে ক্লীন ইমেজ এর সৎ পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিধ হিসেবে অনেকের মুখে সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন এর নাম শোনা যাচ্ছে।
জেলা আওয়ামী লীগের ও যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা বলেন, ক্লিন ইমেজ এবং আওয়ামী পরিবারের মানুষ সামিউল হাসান চৌধুরী লিমন। তাকে পেয়ে যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের মনে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে। দীর্ঘ দিন ধরে তার সাথে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করা ত্যাগী কর্মীরা ছিল ভীত, দিশাহীন। আজ তারা আবারও রাজপথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে চলতে পারছে, ঠিক এমনটিই বলেন যুবলীগের অনেক কর্মী। যুবলীগের তৃনমূলের নেতা- কর্মীরা বলছেন, দল ও সরকারে চলমান শুদ্ধি অভিযানের ফলে প্রকৃত নেতারা মূল্যায়িত হবেন।
বার্তা বাজার / ডি.এস