পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পাঁচঠাকুরী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এলাকায় আবারো ভাঙন শুরু হয়েছে। এ ভাঙনে বাঁধ সংলগ্ন মসজিদসহ জায়গা জমি ও গাছপালা মুহূর্তের মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আবারো বন্যার আশংকা রয়েছে।
যমুনার তীরবর্তী ৫টি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বর্তমানে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার প্রায় ছুই ছুই এবং কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ৭ সেঃ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (হেড কোয়ার্টার) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাঁচঠাকুরী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংলগ্ন মসজিদটি ভাঙনে আঘাত এনেছিল প্রায় দেড় মাস আগে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আবারো ভাঙনে মুহূর্তের মধ্যেই মসজিদটি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। সেই সাথে এখানকার জায়গা জমি ও বহু গাছপালাও চলে গেছে নদী গর্ভে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে সেখানে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ চলছে।
এদিকে যমুনা নদীর তীরবর্তী শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক স্থানে কাঁচা ও পাকা রাস্তাঘাট যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং তলিয়ে গেছে এ অঞ্চলের রোপা আমনের ধান ক্ষেত। এছাড়া যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ওই ৫ টি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির আশংকা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।
বার্তা বাজার / ডি.এস