নাতনি ধর্ষণের অভিযোগে দাদাকে গ্রেপ্তার

চাঁদপুর জেলাধীন কচুয়ায় নাতনিকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে এক দাদার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাটি উপজেলার তুলপাই ইউপির পালাখাল খিলমেহের গ্রামের মিজি বাড়িতে ঘটে। অভিযুক্ত জামাল হোসেন মিজিকে (৬০) ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

রাত সাড়ে ৭টায় ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটলে রাত প্রায় ১১টায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি চিৎসাধীন রয়েছে।

গাইনি ওয়ার্ডের সেবিকা কোহিনুর বেগম জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

শিশুর মা মাহমুদা বলেন, ‘এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিচার করতে চেয়েছিল কিন্তু আমি এলাকার বিচার চাই না। আমি আইন মোতাবেক ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। অভিযুক্তের স্বজনরা আমাদের হাসপাতালে আসতে বাধা সৃষ্টি করছে।’

মাহমুদা জানান, একই বাড়ির শিশুর দাদা সম্পর্কের জামাল হোসেন মিজি (৬০) ঘরের বাইরে থেকে শিশুটিকে ললিপপ কিনে দেবে বলে ডাকতে থাকেন। তখন শিশুটি আমাকে বলে, ‘দাদার সঙ্গে ললিপপ আনতে যাব মা’। এসময় সরল মনে শিশুর আমিও বলি যাও।

এরপর দাদা জামাল মিজি বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে শিশুটিকে বাড়িতে চলে যেতে বলে। রক্তঝড়া অবস্থায় শিশুটি একা ঘরে এসে কান্নাকাটি করতে থাকলে শিশুর মা তার কাছে জানতে চাইলে সে তার মায়ের কাছে সব খুলে বলে। তাৎক্ষণিক এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে জামাল মিজিকে পিটুনি দিয়ে আটক করে রাখে। রাত প্রায় ১২টায় কচুয়া থানার পুলিশ তাকে নিয়ে যায়। এদিকে তার স্ত্রী আয়েশা বেগম ও পরিবারের অন্যরা বিষয়টি মিমাংসার জন্য বলে। এছাড়া শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাধা দিয়ে দুই ঘন্টা বিলম্ব করেছে বলে শিশুটির মার অভিযোগ।

বার্তাবাজার/কে.কে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর