মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর পালানোর সময় পুলিশ সদস্য আটক!

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ শেষে পালানোর সময় এক পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে থানা পুলিশের সদস্যরা গিয়ে ওই পুলিশ সদস্য ও নির্যাতিতা ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

জানা গেছে, উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে এজাদুল হক রতন সম্প্রতি পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে। সে বর্তমানে গাজীপুরের পূবাইল থানায় কর্মরত রয়েছে। রতনের সাথে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে পরিচয় হয় পাশের রাজিবপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রীটির। পরিচয়ের সূত্র ধরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। বিয়ের আশ্বাসে ছাত্রীটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করে রতন। গত মঙ্গলবার রাতে ছাত্রীকে তাদের বাড়ির পাশের এটি ঝোঁপে নিয়ে ধর্ষণের সময় স্থানীয় লোকজন ধাওয়া দিয়ে আটক করে রতনকে। পরে রাত ২ টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ও ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রী তাকে ধর্ষণের কথা বললেও অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মেয়েটির অভিযোগ অস্বীকার করছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান জানান, খবর পেয়ে রাতে পুলিশ সদস্য ও মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা প্রস্তুতি চলছে।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর