লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ৬ নং লামচর ইউনিয়নের মাঝিরগাঁও বাজার থেকে কাশিমনগর, লামচর, আজিমপুর, ফতেপুর ও কালিকাপুর এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা স্থানীয় দুলা মিয়া পাটোয়ারী বাড়ির ব্রিজ। এই ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন শত শত গাড়ি ও হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে।
দীর্ঘদিন ব্রিজ না থাকায় যাতায়াতে অসুবিধা হলেও ব্রিজ নির্মাণের পর অসুবিধা দ্বিগুন হয়েছে। কারণ নির্মিত নতুন ব্রিজ দিয়েও পারাপারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এসব এলাকার মানুষ। নির্মিত ব্রিজের এক পাশে মাটি ভরাট করলেও অপর পাশে মাটি ভরাট না করে খুলে দেয়া হয়। ফলে ঝুঁকি নিয়ে অটোরিকশা, মটরসাইকেলসহ ছোট মাঝারি সকল যানবাহন যাতায়াত করতে হচ্ছে। কেউ আবার ঝুঁকি নিয়ে ভারী মালামাল মাথায় করে পার হচ্ছে। এতে প্রায় ঘটে দূর্ঘটনা। এভাবে গত দুমাস যাবত পড়ে থাকায় বাঁশ এবং কাঠ দিয়ে সাঁকো নির্মাণ করে স্থানীয়রা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রিজটির কাজ শুরু হয় চলতি বছরের মার্চের দিকে। দরপত্রের মাধ্যমে টেন্ডার পায় মেসার্স মেঘা সুজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ লক্ষ টাকা। ওই উপজেলার ৭ নং দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান নিজ তত্ত্ববধায়নে ব্রিজের কাজটি করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদাররা ব্রিজের এক পাশে মাটি ভরাট না করে ফেলে রেখেছে। এতে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।
বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন ও ঠিকাদার মিজান চেয়ারম্যানকে জানানোর পরেও সমাধান হয়নি।
কাজটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন কর হোক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এমনটিই দাবি করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
বার্তা বাজার / ডি.এস