নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহত বাড়িওয়ালার মেয়ে কুলসুম ৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কুলসুম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহত বাড়িওয়ালার ছেলে শাহীন আলম বাদী হয়ে শিবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার ভাড়াটিয়া বাদলকে প্রধান আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়।
জানা যায়, কাঠমিস্ত্রি বাদল শিবপুরের কুমড়াদি গ্রামে তাজুলের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাজমার ঘর থেকে হৈইচৈইয়ের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। শব্দ পেয়ে বাড়িওয়ালা তাজুল, তার স্ত্রী মনোয়ারা ও তাদের মেয়ে কুলসুম এবং নাজমার ছেলেসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে।
এ সময় তারা বাদলকে নিভৃত করার চেষ্টা করেন। এতে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়িওয়ালা ও উপস্থিত লোকজনকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে পাঁচজন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে আনার পর নাজমা ও মনোয়ারাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাজুলকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আহতদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে কুলসুমের মৃত্যু হয়।
শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাড়িওয়ালার মেয়ে কুলসুম মারা গেছে। আর গ্রেফতারকৃত বাদল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে আদালতে পাঠানো যায়নি। চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
বার্তাবাজার/কে.কে