ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের উইকেট ছিলো ধীর গতির। যার ফলে ২৩২ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করাটা অজিদের জন্য যে সহজ হবে না, তা বোঝা গিয়েছিল আগেই। ইনিংসের ৩১তম ওভারের চতুর্থ বল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৪৪ রান। ৮ উইকেট হাতে রেখে শেষের ১১৬ বলে জয়ের জন্য করতে হতো মাত্র ৮৮ রান। কিন্তু এরপরই ভয়াবহ ব্যাটিং ধ্বস।
স্কোর বোর্ডে মাত্র ৩ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফিরে যান অস্ট্রেলিয়ার চার ব্যাটসম্যান। অর্ধশতক করেন দলের কাপ্তান ফিঞ্চ। ৭৩ রানে আউট হন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। লাবুশেন থামেন ৪৮ রান করে। ব্যর্থ হন আগের ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ (১) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১)। ফলে ২ উইকেটে ১৪৪ থেকে ৬ উইকেটে ১৪৭ রানের দলে পরিণত হয় অস্ট্রেলিয়া।
এরপর আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি অজিরা। চেষ্টা করেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারে। তার ৪১ বলে ৩৬ রান করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার সময়েও ২৪ রান পিছিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া।
দুর্দান্ত এ জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফিরিয়েছে মরগানের দল। আর এ জয়ে আগামী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সিরিজের তৃতীয় শেষ ম্যাচটি হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। যে জিতেব তার হাতেই উঠবে শিরোপা। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় হবে ম্যাচটি।
কেএস/বার্তাবাজার