সরকার প্রতি উপজেলায় বছরে ১ হাজার তরুন-তরুণীর চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মানব উন্নয়নের জন্য ২০৪১ সালের মধ্যে সর্বাংশে দারিদ্র দূরীকরণসহ উচ্চ আয়ের মর্যাদা অর্জনের জন্য মূল প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন সংশ্লিষ্ট অভিষ্ঠ সামনে রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবে রূপায়ণ: বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১’ শীর্ষক জনঅবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিকল্পনায় (২০২১-২০৪১) মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনমিতিক লভ্যাংশ আহরণ বিষয়ে বলা হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে সর্বাংশে দারিদ্র দূরীকরণসহ উচ্চ আয়ের মর্যাদা অর্জনের জন্য মূল প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন সংশ্লিষ্ট অভিষ্ঠ সামনে রেখে পরিকল্পনা ২০৪১-এর কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে ১২ বছর বয়সীদের জন্য সর্বজনীন অবৈতনিক শিক্ষা, জনসংখ্যার শতভাগ সাক্ষরতা, একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রতিষ্ঠান, কর্মভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে আগ্রহীদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি, সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যবিমা স্কিমে সর্বজনীন অভিগম্যতা, সংগঠিত খাতে সব কর্মীকে কর্মকালীন দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্য বিমার শতভাগ আওতায় আনা এবং প্রতি উপজেলা থেকে প্রতি বছর এক হাজার তরুণ-তরুণীর জন্য চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান করা।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বিশেষ অতিথি মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
সভার সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) ড. শামসুল আলম।
বার্তাবাজার/কে.কে