লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের অসচ্ছল দম্পতি ছয়ফুল ও মোর্শেদা বেগম। গরু কেনার সামর্থ্য না থাকায় দীর্ঘ ২০ বছর থেকে ঘানি টেনে তেল মাড়াই করে জীবিকা নির্বাহ করছে এই দম্পতি।
ছয়ফুল ইসলাম(৪৫) জানান,একটি গরু ছিলো কিন্তু সেটি মারা গেছে।তার পর থেকে সংসার চালাতে বাধ্য হয়ে নিজেরাই ঘানি টানছি।তেল মাড়াই করে যা আয় হয় তাই দিয়েই চলছে ৫ জনের পরিবার।
জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ঘানি টানতে হচ্ছে এই দম্পতিকে। গরু কেনার সামর্থ্য নেই তাদের। প্রতিদিন এ কাজ করে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আয় হয়। আর এ আয় দিয়েই চলে তাদের সংসার।
পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া মাত্র ৩ শতক জমিতে টিনের ঘরে অতি কষ্টে চলছে তাদের জীবন সংগ্রাম। সামর্থ্য না থাকায় ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালানো বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে ছয়ফুল ও মোর্শেদা দম্পতির।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে ছয়ফুল ও মোর্শেদা দম্পতির এই কষ্টের চিত্র ভেসে আসলে তা নজরে পড়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের।
এরপর বৃহস্পতিবার(১০ সেপ্টেম্বর) লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা আইজিপির দেয়া উপহার একটি গরু নিজ হাতে তুলে দেন ছয়ফুল ও মোর্শেদা দম্পতির হাতে।
গরু উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে ছয়ফুল বলেন,এখন আমাদের আর ঘানি টানতে হবেনা।আইজিপি স্যারকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
বার্তা বাজার / ডিএস