স্মরণ কালের ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা বাসি। উপজেলায় ইতিমধ্যে ভিটেবাড়ি, ফসলি জমি,রাস্তা ও সড়কপথ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নদীর পাড়ের মানুষ। তারা সরকারের নিকট ত্রাণ নয়, চান টেকশই বেড়িবাঁধ।
২০১৩ সালের দিকে যমুনার গর্ভে চলে বিলিন হয় উপজেলা পরিষদের সকল স্থাপনাসহ কবরস্থান, ভিটেবাড়ি, ফসলি জমি, স্কুল, কলেজ, ব্রীজ, কাচা-পাকা সড়কসহ অনেক সরকারি বেসরকারি স্থাপনা। এ বছর চৌহালীর ৭টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ায় দিশেহারা নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষেরা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গেলে স্থানীয় মো. কালাম মোল্লা ও আঃ মজিদ সরকার বলেন, বন্যার পানি বৃদ্ধি ও কমার সাথে সাথে ভাঙ্গন কবলে পরেছে বাঘুটিয়া, ঘুশুরিয়া, হিজুলিয়া, হাটাইল, চরবিনানই, চরনাকালিয়া, ভুতেরমোড়,খাষপুকুরিয়া, মিটুয়ানী, দেওয়ানগঞ্জ বাজার, দক্ষিণ খাষপুখুরিয়া, শাকপাল ঘোরজান, মুরাদপুর, উমারপুর, শৈলজানা, মোকারভাঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থান।
ভাঙ্গন কবলিত ও বানবাসি মানুষের দাবি, তারা ত্রাণ চায় না নদী শাসন ও বেড়িবাঁধ চান। একটি বেড়িবাঁধই বদলে দিতে পারে চৌহালী বাসির ভাগ্য।
এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ নির্মাণের কাজ দ্রুতই হবে, বর্তমানে ভাঙ্গন এলাকায় ডাম্পিং কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, এশিয়ান ডেপ্লেপমেন্ট এর ৫ কি:মি: স্থায়ী বাঁধ নির্মান করা হয়েছে এবং ২ কি:মি: এর প্রক্রিয়া চলছে এবং আরো কাজ বাড়ানোরসহ স্থায়ী বাঁধের জন্য প্রকল্প পরিচালকরে দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি