ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধুনগর গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র রাস্তটি কাঁচা থাকার কারণে বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী। একটু বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে ওঠে রাস্তটি। কাদার মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হয় ওই এলাকার মানুষের। হাঁটু সমান কাদা ভেঙ্গে চলাচলের এমন দৃশ্য এখন আর কোথাও দেখা যায় না।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় প্রত্যন্ত গ্রামেও সাধারণত ইট দিয়ে হলেও রাস্তা পাকাকরণ করা হয়েছে। তাছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যেমন- টিআর-কাবিখা, এডিপি, এলজি এসপিসহ বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন তহবিল থেকে জনদুর্ভোগের এ সব কাজগুলো করার কথা। অথচ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধুনগর গ্রামের রাস্তা দেখে মনে হয় এখনে সরকারের কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।
রাস্তাটির দৈর্ঘ্য মাত্র আধা কিলোমিটার। বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান কাদা হয়ে যায় রাস্তটিতে। নারী-পুরুষ, শিশু ও অসুস্থ রোগী নিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলাতে এরকম খারাপ রাস্তা নাই বললেই চলে। রাস্তার পাশেই রয়েছে বিশাল ফসলের মাঠ। একটু বৃষ্টি নামলে কৃষকের পক্ষে ফসল আনা খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকায় জনপ্রতিনিধিদের ওপর এলাকাবাসী চরম ক্ষুব্ধ।
গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা জাকির, মনিকৃষ্ণ, আনন্দ, দিলিপ বলেন, ‘আমাদের উপজেলায় এরকম আর কোন রাস্তা আছে বলে মনে হয় না। আমাদের এ রাস্তাটি জনপ্রতিনিধিদের অনেকবার বলার পরও কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমরা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।’
এবিষয়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান বলেন, ‘এ বছর ইটের সলিংয়ের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত বরাদ্দ না পাওয়ায় রাস্তাটির কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর একটা ব্যবস্থা করা হবে।’
বার্তাবাজার/কে.জে.পি