দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় এগারো বছরের শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের দাসপাড়ার এলাকার নকুল দাসকে আটক করেছে পুলিশ।
শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় গত সোমবার (৭ সেপ্টম্বের) ওই শিশুর নানী বাদী হয়ে ধর্ষক নকুল দাসের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামরা দায়ের করেছেন। মামলা দায়ের পর ওইদিনই খানসামা থানা পুলিশ আসামি নকুল দাসকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির মা সৌদি আরবে থাকায় সে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের দাসপাড়ায় নানীর বাড়িতে থাকেন। একই এলাকার ধর্ষক নকুল দাস ভুক্তভোগী শিশুটিকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ করে আসছিল। এরই জেরে গত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় শিশুটিকে কৌশলে তার বাড়িতে নিয়ে এসে আবারো জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
পরে শিশুটি তার নানীর কাছে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে তিনি প্রতিবাদ করায় ধর্ষক ও তার স্ত্রী রিপা দাস (৩৫) ঘটনাটি বাড়াবাড়ি না করার জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ওই শিশুর নানী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ধর্ষক নকুল দাসকে আটক করে।
এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ কামাল হোসেন বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন শিশুটির নানী। যার মামলা নং-০৪। পরে মূল আসামি নকুল দাসকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।’
বার্তাবাজার/এসজে