কুড়িগ্রামে বন্যার পানি চলে গিয়েছে বেশকিছুদিন হলো। কিন্তু বন্যার পরে সবার চোখে আশার দীপ্ত আভা দেখা গেলেও কৃষকদের মাথায় হাত। বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমি চাপা পড়ে গিয়েছে বন্যার বালুতে।
গত কয়েক বছরে এসব জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলিয়ে চরাঞ্চলের কৃষকরা অভাব মোচন করলেও এ বছর আমন চাষ করতে না পেরে খাদ্য সংকটের শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সারডোব গ্রামে মধ্য জুলাইয়ে একটি বিকল্প বাঁধ ভাঙার কারণে শত শত একর আবাদি জমিতে ৩-৫ ফুট বালুতে ঢেকে গেছে। একই অবস্থা পার্শ্ববর্তী জয়কুমর ও হলোখানা গ্রামেও। এসব এলাকার কৃষকরা এবার আমন চাষ করতে না পেরে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পাশাপাশি বালুতে ঢেকে যাওয়ায় নষ্ট হয়েছে পাট, কলা, সবজি ও ভুট্রাসহ বিভিন্ন ফসল। ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে হাজার হাজার কৃষক।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বন্যাপরবর্তী সময়ে ১ হাজার ২০০ কৃষককে এক বিঘা করে জমি মাষকলাই চাষ করার জন্য বীজ ও সার দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭ হাজার কৃষককে আমনের চারা ও ১০ হাজার কৃষককে শাকসবজির বীজ দেয়া হয়েছে। তবে বালু জমিতে চাষযোগ্য ফসল আবাদের জন্য এখনও কোনো বরাদ্দ আসেনি।
বার্তাবাজার/এসজে