গাজীপুরের কাপাসিয়ায় বিষ পান করে মা এবং প্রতিবন্ধী ছেলে আত্মহত্যা করেছে। প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তারা উভয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন।
রোববার ঢাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালে মায়ের মৃত্যু হয়। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছেলের মৃত্যু হয়। উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের বর্জাপুর এলাকার মৃত ফজলুল হকের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন (৪৫) ও ছেলে সজিব (১৫)।
কাপাসিয়া থানা পুলিশের এসআই সুমন খান এলাকবাসীর বরাত দিয়ে বলেন, মৃত রাজিয়ার স্বামী ফজলুল হক বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। প্রতিবন্ধী ছেলে সজিব ছাড়াও তার খোরশেদ ও মোরশেদ নামে আরও দুই ছেলে রয়েছে। খোরশেদ ও মোরশেদ দুই ভাই কৃষি কাজ এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। দুই ভাই একই সাথে খেতেন। খোরশেদ বিয়েও করেছেন কিন্তু প্রতিবন্ধী ভাই ও মায়ের খোঁজ খবর নিতেন না তারা দুই ভাই। ফলে মা মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন। মা ও প্রতিবন্ধী ভাইকে নিয়ে তাদের মাঝে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়।
শনিবার রাতে মা ও প্রতিবন্ধী ছেলের বিষপানের পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রতিবন্ধী ছেলে সজিব রাতেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য মা রাজিয়া খাতুনকে ঢাকার উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতলে নিলে তিনি ভোরে মারা যান।
মা ও প্রতিবন্ধী ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তারা উভয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা হবে।
বার্তা বাজার কে.কে