বিএনপির মদদেই বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (রোববার) সকালে একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে উদ্বোধনী সেকশনে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মহামারি করোনার প্রভাবে এবারের অধিবেশনেও সীমিত সংখ্যক সাংসদের উপস্থিতিতে এবারের অধিবেশন শুরু হয়। বেলা ১১ টায় স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
সংসদে প্রয়াত সাংসদদের স্মৃতিচারণ করে শোক প্রস্তাব আনা হয়। তখন আলোচনায় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালে আমার নামে অন্তত ১২টি মামলা দেয়া হয়। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আরো ৫-৬টি মামলা করা হয়েছিলো। এই মামলাগুলোর ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতেন সাহারা আপা! একদিন পরপরই আমাকে কোর্টে হাজিরা দিতে হতো; উনি সেখানে উপস্থিত থাকতেন। এমনকি আমাকে কোর্টে নিয়ে গেলে, নেতা-কর্মীরা সেখানে হাজির হলেও, পুলিশ ধাওয়া করতো! কখনো কখনো গ্রেপ্তারও করতো! উনি (সাহারা খাতুন) সবসময় এমন পরিস্থিতিতে ছুটে যেতেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সাহারা খাতুনের সাহস দেখেছি ২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহের সময়। এই ঘটনা নিয়ে বিএনপি থেকে শুরু করে অনেকেই অনেক ধরনের কথা রটিয়ে থাকে। আওয়ামী লীগ সে সময় ক্ষমতা গঠনের পর, ৫২ দিনের মাথায় এই ঘটনাটা ঘটলো। বিদ্রোহে যেসব সেনা কর্মকর্তারা মারা গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ৩৩ জন ছিলেন আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য।
তিনি আরও বলেন, আসলে যারা তখন ক্ষমতায় আসতে পারে নাই; তারাই এই ঘটনার পেছনে ছিলো। আর তাদের সাথে ছিলো ওয়ান-ইলেভেন যারা তৈরি করতে চেয়েছিলো তারাই আওয়ামী লীগ সরকারের সবকিছুকে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা করেছিলো, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছিলো এতে কোনো সন্দেহ নাই। এই সত্য একদিন না একদিন উন্মোচিত হবে।’
বার্তাবাজার/এসজে