নারায়ণগঞ্জ ট্রাজেডি: রাঙ্গাবালীর পৃথক স্থানের ৪ জন নিহত

নারায়ণগঞ্জের মসজিদ বিস্ফোরণের ঘটনায় পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন এলাকার ৪জন নিহত হন।
জানা জায় নারায়ণগঞ্জের বিস্ফোরণের দিন নামাজ পড়ার জন্য বাবা সুলেমান জুলহাসের সাথে গিয়েছিল শিশু জুবায়েরও। বিস্ফোরণের ঘটনার পড়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐদিন রাত ১টার সময় মারা যান শিশু জুবায়ের। ঝলসানো অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন বাবা জুলহাস এবং অন্যান্যরা।

শনিবার বিকেলে নিহত জুবায়েরের মা রাহিমা বেগমর কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সকালে তার মরদেহ রাঙ্গাবালীতে আসলে পরিবারের মাঝে শুরু হয় আর্তনাদ‌-আহাজারি।

দাফনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তেই খবর আসে বাবা জুলহাসও যে চলে গেছে না ফেরার দেশে। পরিবারের শোক যেন আরো বেড়েই চলেছে। বাকরুদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে আছে স্বামী সন্তানহারা রাহিমা বেগম।
তারপরেই উপজেলার ঈদগাহ ময়দানে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানেই দাফন সম্পন্ন করা হয় নিহত জুবায়েরের মরাদেহের।

জানা জায়, একই ঘটনায় নিহত হন রাঙ্গাবালীর আরও দুজন।

নিহতরা হলেন,‌ উপজেলার কাউখালী গ্রামের বেলায়েত রাঢ়ীর ছেলে জামাল রাঢ়ী (৪০)। যার মরাদেহ সকালে তার পারিবারিক কবরস্থানেই দাফন করা হয়েছে। এবং অপরজন হলেন হাপুয়াখালী গ্রামের সাজাহান প্যাদার ছেলে নিজাম প্যাদা (৩৫)।

এদিকে, সুলেমান জুলহাস ও নিজাম প্যাদার মরাদেহ রাঙ্গাবালী নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান বলে জানিয়েছেন তাদের পরিবার। এঘটনায় নিহত ৩ জনই পোশাক শ্রমিক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের পরিবার ও বিবাহের পর নিজের পরিবার, এই দুই পরিবারেরই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন জুলহাস

এব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান ও রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহমেদ বলেন বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর