আজ থেকে দুই যুগ (১৯৯৫ সালে) আগে ক্রিকেটে অভিষেক হয় মোহাম্মদ রফিকের। যখন ক্রিকেটে বাংলাদেশ ছিলো ছোট ও উদীয়মান দল। কিন্তু তখন রফিকের পরিসংখ্যান ছিল ঈর্ষণীয়। যার সাক্ষ্য দেয় তার সব রেকর্ড। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অসাধারন ক্রিকেট খেলেন রফিক। ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের দু’টি ফিফটিই ওপেনিংয়ে নেমে করা রফিক, টেস্ট ক্রিকেটে নিজের একমাত্র সেঞ্চুরিটি করেছিলেন ৯ নম্বরে নেমে। তাও কিনা আজ থেকে ১৪ বছর আগে, ২০০৪ সালে। ক্যারিবীয়দের ঘরের মাঠে, ফিদেল এডওয়ার্ডস, জার্মেইন লসন, পেড্রো কলিনস, টিনো বেস্টদের বোলিং সামলে। সেই সেঞ্চুরির সঙ্গে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪টি ফিফটি রয়েছে রফিকের। ৩৩ ম্যাচের ক্যারিয়ারে তার মোট রান ১০৫৯।
সে সময় বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতো আফতাব, জাভেদ ওমর বা সুমন। আর বোলিংয়ে কাজটা একাই পালন করতেন স্পিন জাদুকর মোহাম্মদ রফিক।
ক্যারিয়ারে ৩৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পান রফিক। তবে খুব কম ম্যাচেই পেরেছিলেন দুইবার বল করতে। না হয় উইকেট সংখ্যা হতে পারত আরও বেশি। তবু ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে ৪ উইকেট নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১০০ উইকেটের রেকর্ড গড়েই থামেন এই স্পিন মায়েস্ত্র। পুরো ক্যারিয়ারে ইনিংসে ৫ উইকেট নেন ৭ বার। যা কি-না সাকিব আল হাসানের পর এখনও বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ওয়ানডে ক্রিকেটে ১২৫ ম্যাচে রফিকের উইকেট সংখ্যাও ১২৫টিই।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম কিংবদন্তি মোহাম্মদ রফিকের ৫০তম জন্মদিন আজ। দেশের ক্রিকেটে এই বাঁ-হাতি স্পিনারের অবদান কখনোই ভোলার নয়।বার্তাবাজারের পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রফিকের জন্য।
কেএস/বার্তাবাজার