দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম (৪২) উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক, আসাদুল ইসলাম (৩৫) উপজেলা যুবলীগের সদস্য, মাসুদ রানা (৩৪) এবং ইউএনও’র বাসভবনের নৈশ্য প্রহরী পলাশ (৪০)।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে হিলির কালিগঞ্জ এলাকায় বোনের বাড়ি থেকে আসাদুল ইসলামকে এবং জাহাঙ্গীর আলমকে তার নিজ বাড়ি থেকে মদ্যপ অবস্থায় গ্রেফতার করে। ঘোড়াঘাট থেকে মাসুদ রানা (৩৪) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়। তাদেরকে রংপুরে র্যাব-১৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ইউএনওকে হত্যার চেষ্টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার যুবলীগের আহবায়ক মাদ্যপ অবস্থায় আটক
ইউএনওকে হত্যার চেষ্টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার যুবলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মাদ্যপ অবস্থায় আটক করে পুলিশ
Gepostet von Barta Bazar am Freitag, 4. September 2020
এর আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুর ডিবি গোয়েন্দা পুলিশ ইউএনও’র বাসভবনের নৈশ্য প্রহরী পলাশ (৪০)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
ইউএনও ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৪ জন। তবে, এ বিষয়ে প্রশাসনের কেউ সঠিকভাবে মুখ খুলছেন না।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, আসাদুল ইসলাম ঘোড়াঘাট উপজেলার সাগরপুর গ্রামের এমদাদুল হকের ছেলে। অপরদিকে জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট উপজেলা রানিগঞ্জের আবুল কালামের ছেলে।
সুত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবং আসাদুল ইসলাম আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে জাহাঙ্গীর আলম আহ্বায়ক হন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি