ঝিনাইদহে করোনার নমুনা সংগ্রহকারী স্বেচ্ছাসেবীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি

ঝিনাইদহে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ করলেও কোন প্রকার সরকারী সুযোগ সুবিধা পান না ৯ জন স্বেচ্ছাসেবক। এমনকি দেওয়া হয় না কোন সম্মানী বা ভাতা। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের দিয়ে ঝুঁকিপুর্ণ কাজ করালেও নিয়োগ দেওয়ার কোন ব্যবস্থাই করছেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবক সাব্বির রহমান সাকি জানান, করোনা শুরুর পর থেকে জেলার সদর হাসপাতালে করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন রাশেদুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, লুনা খাতুন ও হাবিবুর রহমান।

এদের মধ্যে হাবিবুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শৈলকুপায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে সেচ্ছায় কাজ করছেন শশি ও মেহেরাব হোসন। এছাড়া কালীগঞ্জে আব্দুল আওয়াল, হরিণাকুন্ডুতে তৌহিদ ও কোটচাঁদপুরে সোহেল পারভেজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও তাদের নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি ঝুলে আছে।

তাদের অভিযোগ, দেশের অন্যান্য স্থানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবীদের সরকার থেকে নিয়োগ দেয়া হলেও ঝিনাইদহে নিয়োগ না দেওয়ায় হতাশ তারা।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ হারুন অর রশিদ জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোন উদ্যোগ নিলে এসব স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপারে সুপারিশ করা হবে।

এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা জানান, প্রথম দিকে জরুরী ভিত্তিতে আইইডিসিআর তালিকা চেয়েছিল। তখন তারা ঢাকা থেকেই কিছু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) স্থায়ীকরণ করেছে। তিনি বলেন, এখন যারা সেচ্ছাসেবী হিসেবে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কাজ করছেন পরবর্তীতে নিয়োগ হলে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর