যৌতুকের জন্য তাসলিমা আক্তার(২১) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও ওই দুই জনকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
সোমবার দুপুরে আসামিদের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,ভুঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামের মজনু মিয়া (৫৫) ও তার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৫)।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের স্পেশাল পিপি নাসিমুল আক্তার নাসিম জানান, ভুঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলামের সাথে একই উপজেলার কুঠিবয়রা গ্রামের তসলিম উদ্দিনের মেয়ে তাসলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের টাকা দাবি করে তাসলিমার উপর নির্যাতন করে আসছিলম শ্বশুর বাড়ির লোকজন। ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর যৌতুকের দেড় লাখ টাকা দাবি করে তাসলিমাকে হত্যা করে লাশ যমুনা নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
তিন দিন পর ভুঞাপুরের গোবিন্দাসী ঘাট থেকে তাসলিমার ভাসমান লাশ উদ্ধার কওে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।পরে তাসলিমার বাবা বাদি হয়ে ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর থানায় মামলা দায়ের করেন।এরপর জহিরুল ইসলাম ও মজনু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্ত হন। তাদের আদালতে হাজির থাকার কথা থাকলেও তারা হাজির হননি।তাদের অনুপস্থিতিতেই রায় প্রদান করা হয়।
বাদিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের স্পেশাল পিপি নাসিমুল আক্তার নাসিম। আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার ফায়েকুজ্জামান নাজিব।
বার্তা বাজার / ডি.এস