ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তায় রাস্তার দুপার্শ্বে সরকারি জায়াগায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য নোটিশ প্রদান করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সওজ কর্তৃপক্ষ ১০ই আগস্ট নোটিশ প্রকাশের পর ৩ সপ্তাহ পার হলেও অবৈধ দখলকারীরা তাদের স্থাপনা উচ্ছেদে করতে কোন সাড়া দেখা যাচ্ছেনা।
সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়টি নিয়ে ব্যাবসায়ীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কানাঘোষা চললেও বহাল তবিয়তে আছে অবৈধ দোকান মালিকরা। সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতেও অস্থায়ী মালিকপক্ষদের কোন প্রকার কার্যক্রম দেখা যাচ্ছেনা।
কিশোরগঞ্জ সওজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ বৎসর পূর্বে সওজ কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে উক্ত মহাসড়কের পার্শ্বে সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে ঘুরিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদ অভিযানের একমাস যেতে না যেতেই উক্ত সরকারি জায়গায় পুনরায় এক এক করে ঘরে উঠে অবৈধ স্থাপনা। বর্তমানে উক্ত মহাসড়কের পাকা রাস্তা হতে পূর্বের চেয়ে প্রায় ২০/২৫ ফুট দূরত্বে অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
ব্যবাসায়ীরা জানান, এমনিতেই করোনার বিপর্যয়ে আমাদের অবস্থা করুন। তারউপর এভাবে কিছু দিন পরপর আমাদেরকে উচ্ছেদ করলে পরিবারের লোকজন নিয়ে কিভাবে বাচঁবো।
এ বিষয়ে অস্থায়ী দোকানমালিকরা জানান, ‘সড়ক হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্বে পরিত্যক্ত জায়গায় আমরা ঘর উঠিয়েছি। তবে সরকার চাইলে আমরা ভেঙ্গে দিতে প্রস্তুত। তবে মানবিক বিবেচনায় প্রায় ৫শতাধিক ব্যবাসায়ীর পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায়দা যাতে না পরে সে লক্ষ্যে লীজের মাধ্যমে দোকানপাট করার ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দায়িত্বে থাকা এসও বাবুল জানান, নান্দাইল চৌরাস্তায় সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্র্মাণে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যাক্তির নামে মামলা চলমান রয়েছে। খুব শীঘ্রই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
বার্তাবাজার/অমি