ফরিদপুরের সালথায় স্বামী কর্তৃক স্ত্রীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় স্ত্রীকে মারপিট করেও আহত করে পাষণ্ড ওই স্বামী। বর্তমানে সে নগরকান্দা উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার ফুকরা গ্রামের মওলা মাতুব্বরের ছেলে শাহআলম মাতুব্বরের সাথে তিন বছর পূর্বে একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামের রিজাউল মাতুব্বরের মেয়ে রিশানা আক্তারের সামাজিক ভাবে বিবাহ হয়। বর্তমানে তাদের নয় মাসের কন্যা সন্তান রয়েছে। গত ২৩ আগস্ট স্বামী শাহআলমের সাথে রিশনা আক্তারের ঝগড়া হয়। পরে শাহআলম মাতুব্বর রিশানাকে মারপিট করে ও মাথার চুল কেটে দেয়।
রিশানার বাবা রিজাউল মাতুব্বর বলেন, ‘বিয়ের পর থেকেই মেয়ের শশুর বাড়ীর লোকজন যৌতুকের দাবী করে আসছিল। মাঝে মধ্যে মেয়েকে মারপিট করতো। ঘটনার দিন আমার মেয়েকে মারপিট করে আহত করেছে এবং মাথার চুল কেটে দিয়েছে।’
রিশানা বলেন, ‘গরুর খাবার দেওয়া একটু দেরি হওয়ার এই সামান্য কারণ নিয়ে আমার শশুর, শাশুড়ী, দেবর, ননদ,স্বামী মিলে আমার হাত, পা, চোখ বেঁধে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরে আমার মাথার চুল কেটে দেয়।’
এদিকে রিশানার স্বামী শাহ আলম পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শ্বশুর মওলা মাতুব্বর বলেন, ‘এই ঘটনায় আমরা কেউ জড়িত নই। ওরা স্বামী স্ত্রী কি নিয়ে ঝগড়া করে তারপর শাহ আলম বউয়ের মাথার চুল কেটে দিয়েছে।’
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘এ বিষয়টি আমরা জানতে পারি নেই। আমরা এবিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আর অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।’
বার্তাবাজার/এসজে