গত বুধবার (২৬ আগস্ট) শরীয়তপুর সদর উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামে দুই মুখওয়ালা বাছুর জন্ম দিয়ে একটি গাভী। বাছুরটি এখন পর্যন্ত সুস্থ্য রয়েছে এবং মায়ের দুধ পান করছে। এই দুই মুখওয়ালা বাছুর নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৯ মাস আগে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে গাভীটি গর্ভধারণ করে। গত বুধবার প্রাকৃতিকভাবেই ফ্রিজিয়ান জাতের সাদাকালো রংয়ের বাছুরটির জন্ম দেয়। দেখাযায় জন্মের পর বাছুরটির দুটি মুখ, চোখ ও কান স্বাভাবিক ভাবেই দুটি করে। বাছুরটি দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক নিয়মে মায়ের দুধ পান করছে। বাছুরটির সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রয়েছে। আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাছুরটিকে দেখতে আসছে কৌতুহলী মানুষ।
বিনোদপুর ইউনিয়নের উজ্জ্বল সরদার ও ফারুক সরদার বলেন, আমরা দুই মুখওয়ালা বাছুরের কথা শুনে দেখতে এসেছি। আগে কখনো এমন আশ্চর্য ঘটনা দেখিনি।
গাভীর মালিক আজাহার সরদার বলেন, স্বাভাবিকভাবেই গাভীটি বাচ্চা দিয়েছে এবং বাচ্চাটি দুধ খেতে পারছে। এই গাভী থেকে প্রতিদিন ৭-৮ কেজি দুধ পাওয়া যাচ্ছে। বাছুর জন্ম দেয়ার তিন দিন হলেও এখন পর্যন্ত কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি।
সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুন কুমার রায় জানান, দুইটি মুখ নিয়ে জন্ম নেওয়া বাছুর সম্পর্কে আমরা অবহিত রয়েছি। জিনগত ত্রুটির কারণে এমনটি হতে পারে বলে তিনি জানান। তবে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এ ধরণের বাছুর বেশি দিন বাঁচে না। তারপরও বাছুরটি এখন পর্যন্ত সুস্থ থাকায় আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।
বার্তা বাজার কে.কে