রোববার বিকাল থেকে সারা রাত কয়েক দফায় মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে সাতক্ষীরায়। আর এ বৃষ্টির কারণে উপকূলীয় উপজেলা আশাশুনি ও শ্যামনগরের কপোতাক্ষ ও খোলপেটুয়া নদীর তীরে পানিবন্দি হয়ে পড়ে লক্ষাধিক মানুষ। বেড়েছে দুর্ভোগ। যারা আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে উঁচু জায়গায় অবস্থান করছিলেন তাদের কষ্টের শেষ নেই।
গত বৃহস্পতিবার থেকে অমাবস্যার জোয়ারে ও অতিবৃষ্টিতে সাতক্ষীরার উপকূলবর্তী কপোতাক্ষ নদ ও খোলপেটুয়া নদীর কয়েকটি রিংবাঁধ ভেঙে যায়। যার ফলে, আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনি সদর এবং শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে যাতায়াতের প্রধান সড়কের পাকা রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে পানির স্রোত বইতে শুরু করে। পানিবন্দি হয়ে পড়ে তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রাম।
এরই মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি উপজেলায় ৯০ টন চাল ও দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু শেখর সরকার জানান আগামী নভেম্বরের আগে ওই সব বাঁধ সংস্কার করা সম্ভব নয়।
কেএস/বার্তাবাজার