ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার চলাচলের একমাত্র রাস্তা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা।
রোববার দুপুরে স্থানীয়রা কাঁচা রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানান।
সোমবার সকালে সরেজমিন রাস্তাটি ঘুরে দেখা যায়, দীর্ঘদিনেও ছত্রকান্দা বটতলা হতে শেখপুর বিশ্বাস বাড়ি মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটি পাকাকরণ না হওয়ায় আরাজি মাগুরা, শেখপুর ও ছত্রকান্দা গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। এ গ্রামে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হেমায়েত হোসেনের গ্রামের বাড়ি রয়েছে। তাঁর বাড়ির সামনেও রাস্তাটির বেহাল অবস্থা দেখা গেছে। বর্ষাকাল এলেই সড়কের ভোগান্তির যেন অন্ত নেই। এ সময় এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গেলে হাঁটু পর্যন্ত পা পানি-কাঁদার মধ্যে দেবে যায়। সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ কৃষকদের। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানালেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
চরম দুর্ভোগে অতিষ্ট হয়ে এলাকাবাসী রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানান।
এলাকার শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মকিবুল ইসলাম বাবলু জানান, ‘এই এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস। চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বেহাল দশার কারণে আমরা মালামাল হাট-বাজারে নিতে পারি না। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বৃষ্টির সময় চরম দূর্ভোগে পড়ে। এমনকি অসুস্থ রোগীকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় মহাবিপদে পড়তে হয় আমাদের। এলাকার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলতে পারে না তাই প্রতিবাদ স্বরুপ প্রায় দুই শত মিটার রাস্তা জুড়ে ধানের চারা রোপণ করে দিয়েছি।’
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা বলেন, ‘এ রাস্তাটি প্রায় দুই কিলোমিটার। তার মধ্যে এক কিলোমিটার রাস্তা সাবেক এমপি আব্দুর রহমানের আমলেই এইচবিবি করণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এমনকি ঠিকাদারও নিয়োগ হয়েছিল। কিন্তু ঠিকাদার জেলে থাকায় কাজ বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকায় একাধিকবার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফোন দিয়ে যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বার্তা বাজার / ডি.এস