অবশেষে নেইমার-এমবাপ্পেরদের কাঁদিয়ে কিংসলে কোমেনের পায়ের জাদুতে শিরোপা জিতে নিলো বায়ার্ন মিউনিখ। রোববার পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে ১-০ গোলের ছোট্ট ব্যবধানটাই তাই পুড়াচ্ছে পিএসজিকে।
চ্যাম্পিয়ন্স লীগে বায়ার্ন মিউনিখ ৬ষ্ঠ বারের মতন শিরোপার স্বাদ পেয়েছে। লিভারপুলের সমান বার জার্মান জায়ান্ট এই ক্লাবটি শিরোপা জিতেছে। তাদের আগে বেশিবার শিরোপার নাম লিখিয়ে বসে আছে এসি মিলান (৭) ও রিয়াল মাদ্রিদ (১৩)।
সাত বছর পর আরেক জার্মান কোচ হ্যানসি ফ্লিকের অধীনে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে ফিরলো বায়ার্ন। আর প্রথমবার ফাইনালে ওঠা পিএসজিকে সন্তুষ্ট থাকতে হলো রানার্সআপ হয়েই।
লিসবনের এস্তাদিও দা লুজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম দিকে লড়াইটা ছিল প্রায় সমান-সমান। তখন পর্যন্ত জাদু দেখিয়েছেন দুই দলের দুই গোল রক্ষক। ম্যানুয়েল ন্যুয়ার ও কেইলর নাভাস উভয়েই একটি করে সেভ করেছেন। আর একবার লেভানদোস্কিকে গোলবঞ্চিত করেছে পোস্ট। সুযোগ নষ্ট করেছেন এমবাপ্পেও। ১৯তম মিনিটে নেইমারের প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন বায়ার্নের জার্মান গোলরক্ষক নয়্যার। নেইমারের মাটি কামড়ানো শট পা দিয়ে আটকে দেন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বায়ার্নের দাপট। ৫৯তম মিনিটে এগিয়ে যায় ক্লাবটি। ২০ গজ দূর থেকে জশোয়া কিমিচের ক্রস থেকে হেডে পিএসজির জালে বল পাঠান কিংসলে কোমান। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে উঠেন নেইমাররা। ৬৬তম মিনিটে পিএসজিকে সমতায় ফেরানোর সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপ্পে।
ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে ঠিকমত পা ছোঁয়াতে পারলেই গোলটা পেয়ে যেতেন। তিন মিনিট পর মার্কিনহোসের মাটি কামড়ানো শট ঠান্ডা মাথায় পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন নয়্যার। পিএসজির সমতা ফেরার শেষ সুযোগটি আসে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯০+২ মিনিট)। কিন্তু ডিবক্স থেকে নেইমারের নেয়া শট চলে যায় গোল পোস্টের বাইরে দিয়ে। এরইসঙ্গে হারটাও নিশ্চিত হয়ে যায় পিএসজির।
বার্তাবাজার/এসজে