সাগরের জোয়ারের পানিতে উপড়ে পড়ছে কক্সবাজার সৈকতের শত শত ঝাউগাছ। ভাঙছে সৈকতের বালিয়াড়ি।হুমকির মুখে সৈকতের পাড় ঘেঁষা নির্মিত কয়েকটি সরকারি স্থাপনাও। অস্বাভাবিক জোয়ার ও ঢেউয়ের তান্ডবে ভাঙন অব্যাহত থাকায় সৌন্দর্য হারাচ্ছে সৈকত। তবে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।
এরই মধ্যে লঘুচাপের কারণে কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে। যার ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে ১ থেকে ২ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে সমুদ্রের জোয়ারের পানি। সমুদ্রের ভয়াবহ বিশাল বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়ছে উপকূলে। যার আঘাতে ভাঙছে সৈকতের বালিয়াড়ি; উপড়ে পড়ছে শত শত ঝাউগাছ।
জোয়ারের কারণে হুমকির মুখে ট্যুরিস্ট পুলিশের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা প্রশাসনের তথ্য ও অভিযোগ কেন্দ্রসহ নানা স্থাপনা। এক স্থানীয় থেকে জানা যায়, মে মাস থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। পুরো সমুদ্র সৈকতের ঝাউগাছ সব ভেঙে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, জিও ব্যাগ ফেলে সেই ভাঙন রোধে চেষ্টা করছি। সেই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই জিও ব্যাগ স্থাপনের ফলে দ্রুত গতিতে যে ভাঙন, তা রোধ করা সম্ভব হবে। গত ১০ দিনে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি ও ঢেউ তান্ডবে উপড়ে পড়েছে সৈকতের ঝাউ বিথীর ৫ হাজারের বেশি ঝাউগাছ।
কেএস/বার্তাবাজার