সাতক্ষীরায় এবছর প্রায় ১ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মানুষের চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে মজুদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইলিশ ব্যবসায়ীরা। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় তাজা ইলিশ বাজারজাত না করে চোরাকারবারীদের কাছে বিক্রির জন্য আলাদাভাবে মজুদ রাখছে।
ভোমরা ও লক্ষ্মীদাঁড়ী সীমান্তের শীর্ষ চোরাকারবারী শংকর-বরুণ বাহিনীর সিন্ডিকেটের সদস্যরা শহরের সুতলানপুর বড় বাজার থেকে ক্রয় করছে টন টন ইলিশের চালান। এখান থেকে গভীর রাতে ইঞ্জিন ভ্যান, ইজিবাইক, আবার কখনো প্রাইভেটকারের মাধ্যমে ইলিশের চালান নিয়ে আসে ভোমরা সীমান্তে।
প্রতিদিন রাত ১২ টার মধ্যে ইলিশের বিরাট সব চালান ভোমরা সীমান্তে এসে পৌছানোর পর তা চুপিসারে সীমান্ত পার করিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে। দেশের জাতীয় মৎস্য সম্পদ ইলিশ পাচারের দায়িত্ব নিয়েছে শীর্ষ চোরাকারবারী শংকর দাস ও তার সহযোগীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চোরাকারবারী শংকর দাস ও তার সহযোগি বরুণ দাস তাদের নিজস্ব এলাকার এক চায়ের দোকানে সন্ধ্যার পর ইলিশ পাচারের জন্য লেবারদের ডেকে চা চক্রে মিলিত হয়। এখান থেকে কিভাবে ভারতে ইলিশের চালান পাচার করা যায় সে বিষয়ে শলা পরামর্শ করে তারা।
এরপর ইলিশ ভর্তি ৪/৫ টি ইঞ্জিন ভ্যান ও ইজিবাইক প্রবেশ করে সীমান্তবর্তী দাস পাড়া ও ঘোষ পাড়া এলাকায়। পরে শংকর-বরুণ সিন্ডিকেটের লেবাররা ইলিশের কার্টন পাচার করে নিয়ে যায় ভারতে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে।
এ বিষয়ে ভোমরা ক্যাম্পের বিজিবির গোয়েন্দা (এফএস) নাজমুল হোসেন জানান, তিনি চোরাচালানী শংকর ও বরুণ দাসকে চেনেন না এবং ইলিশ পাচারের বিষয়টি তিনি অবগত নন।
এদিকে চোরাচালানী শংকর ও বরুণ দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
বার্তাবাজার/এসজে