নারায়ণগঞ্জে এক গার্মেন্টসকর্মী নারীকে গণধর্ষণের দায়ে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) গভীর রাতে ফতুল্লার পাগলা ও আলীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- ফতুল্লার আলীগঞ্জের শিবলু কাজীর বাড়ির ভাড়াটিয়া নুরুল ইসলামের ছেলে আল আমিন (২১), আলীগঞ্জের জোড়া ৫ তলার পাশে মহিবুল্লাহর ছেলে হিমেল (২০), আলীগঞ্জের রেললাইন এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে মোস্তাক (২২), একই এলাকার পলাশ নেতার তেলের পাম্পের পাশে আকবর বেপারীর বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল আউয়াল হাওলাদারের ছেলে মাসুম (২০) ও সোনারগায়ের মুসার চর ভূইয়াপাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে রবিন (২১)।
জানা যায়, কেরানীগঞ্জের পানগাও এলাকায় ১৮ বছর বয়সী এক গার্মেন্টসকর্মী নারী তার কারখানায় ওভারটাইম শেষে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ১২ টার তার এক সহকর্মী বান্ধবীর সাথে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পঞ্চবটি থেকে অটোরিকশায় চড়ে চালক ও তারা পাগলা খেয়াঘাটে গিয়ে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। সেখানে এক বখাটে তাদেরকে দেখে আরও ৬ জনকে ফোন করে নিয়ে আসে।
৬ জন মিলে অটোরিকশা চালকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দুই তরুণীকে জোড়পূর্বক নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। তখন অটোরিকশা চালক কৌশলে এক তরুনীকে বাঁচিয়ে আনতে পারলেও অন্যজনকে রেখে আসতে হয়। এর পর রাত দেড়টার দিকে ৬ বখাটে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই তরুণীকে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনার এক ঘণ্টা পর তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দায়েরের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রাত হতে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমনকি ধর্ষণের শিকার তরুনীর বান্ধবীসহ অটোরিকশা চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার সঙ্গে তাদের যোগসাজস রয়েছে কিনা তদন্ত করে দেখা হবে।
বার্তাবাআজার/এসজে