মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের গাঁজীখালি নদীর উপর কলাবাগান মাজার সেতুর সংযোগ সড়কের অংশ ও সেতু বন্যার প্রবল স্রোতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়েছে কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। স্কুল, কলেজ ও বাজারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে তারা।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার তালেবপুর ইউনিয়নের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গাঁজীখালি নদী দিয়ে কলাবাগান মাজার, ইরতা, ইসলামনগর ,কাংশাসহ উত্তর-পূর্ব অ লের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও নৌকা। বিশেষ করে কলাবাগান বাদশা পাগলার মাজারে ওরসের সময় ভক্তবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তির সীমা থাকত না। নদীর উভয় পাশের লোকজন মাজার কিংবা ইসলামনগ বাজারে এক কিলোমিটার পথ ঘুরে আসা-যাওয়া করতো।
কলাবাগান মাজার ও ওই অ লের জনগোষ্ঠির দূর্ভোগ লাঘবে ইউপি চেয়ারম্যান রমজান আলীর নিরলস প্রচেষ্টায় দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জনৈক এক ঠিকাদার গত অর্থ বছরে ৫১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঐ নদীর উপর কলাবাগান মাজার সেতুটি র্নিমাণ করেন। ফলে মাজার, স্কুল, কলেজ, বাজারগামী কয়েক হাজার মানুষ এ সেতুর সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন। সম্প্রতি বন্যার পানির প্রবল স্রোতের হানায় সেতুর উত্তর-পূর্ব পাশের সংযোগ সড়ক ও সেতু ধসে বিলীন হয়ে পাঁচ গ্রামের যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা সেতুটি দ্রুত নির্মাণ ও মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে সংশ্লীষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তালেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রমজান আলী বলেন, দীর্ঘদিন পরে এবার বন্যার পানির প্রবল স্রোতের হানায় আমার ইউনিয়নে কলাবাগান সেতু ধসে পড়ে গেছে এবং ৯টি ওয়ার্ডে ১৭টি বিভিন্ন প্রকল্পের রাস্তা ভেঙ্গে গেছে।
এছাড়া ফসলী জমি প্লাবিত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসল। এসব ক্ষয়-ক্ষতির পরিমানের তালিকা ইতমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের নিকট জমা দেয়া হয়েছে।
বার্তাবাজার/এমকে