পলিটেকনিকে নতুন ভর্তি নীতিমালা প্রণয়ন নিয়ে বর্তমানে দেশব্যাপী চলছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের আন্দোলন। তাদের দাবি ২০২০ প্রণয়নকৃত নতুন ভর্তি নীতিমালা বাতিল করা এবং পূর্বের ২০১৯ ভর্তি নীতিমালা বাহল রাখা।
দেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে যেকোনো বয়সে শিক্ষার্থীরা ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হতে পারবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেন এবং কর্যক্রমও শুরু করেছেন। তবে এই নীতিমালাকে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররাসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররাসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ডাকে সাড়া দিয়ে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) করে যাচ্ছে একের পর এক কর্মসূচি কর্মসূচি। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের বয়সসীমা তুলে দেওয়ায় কারণে এবার কঠোর আন্দোলন যাচ্ছে আইডিইবি, ঘোষণা দেন গতকাল। তারা ঘোষণা দেন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে জারিকৃত ভর্তি নীতিমালা বাতিল বা সংশোধন না করলে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে কঠোর আন্দোলনে যাবেন সদস্যরা।
এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মধ্যে আন্দোলন করার মনোভাব লক্ষ করা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের তারা আন্দোলন করার মানসিকতা প্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে যথারীতিভাবে।
পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে সাইফুল ইসলাম সায়েম বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষিত ভর্তি নীতিমালা বাতিল বা সংশোধন যদি না করা হয় তাহলে আমার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) নির্দেশনায় কঠিন আন্দোলনের মনোভাব নিয়ে মাঠে নামবো। আমাদের এই দাবি জন্য আমাদের যা যা করতে হবে আমরা পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাই করো। শুধুমাত্র কলেজ খুলে দেবার অপেক্ষা আছি আমরা।
তিনি আরো বলেন, আমরা আইডিইবিকে আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যান; কলেজ খুললে আমরাও আপনাদের সাথে একযোগে আন্দোলনে নামবো ইনশাআল্লাহ্।
এ’বিষয়ে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও আইডিইবি সদস্য সঞ্জয় চন্দ্র সরকার জানান,
এটা আমাদের সাথে, শিক্ষার্থীদের সাথে অন্যায় করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আমরা আইডিইবি এর সাথে মাঠে নামতে কঠোর আন্দোলন করতে প্রস্তুত। কিন্তু ইনস্টিটিউট বন্ধ থাকার কারণে আমরা এখনো পর্যন্ত কোনো প্রকাশ সিদ্ধান্ত নিতে পারছিনা।
বার্তাবাজার/এমকে