চাঁদপুরের কচুয়ায় শনিবার রাতে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান প্রসব করেছেন এক মা। তবে অপরিণত সময়ে জন্ম হওয়ায় প্রসবের পরপরই একে একে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কচুয়া টাওয়ার হাসপাতাল নামে বেসরকারি একটি ক্লিনিকে এই ঘটনা আলোচিত ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার প্রসবের পরপরই তিন শিশুর মৃত্যু হয়। বাকি দুই শিশু জীবিত থাকলেও রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে একে একে তারাও মৃত্যুর কোলে ঢোলে পরে।
জানা যায়, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকড়ই গ্রামের কৃষক মো. ইউনুসের স্ত্রী মারুফা বেগম। তবে প্রসব ব্যথার আগে মারুফা তার বাবার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আন্দিরপাড়ে অবস্থান করছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মারুফা বেগম (২৫) এক প্রসূতি। প্রসূতির বর্ণনা শুনে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন। এসময় প্রসব ব্যথা তীব্র হতে শুরু করলে মারুফা বেগমকে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিকভাবে পরপর পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন মারুফা বেগম। এরমধ্যে চারটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে।
তবে অপরিণত হওয়ায় জন্মের অল্পে সময় পরেই তিন শিশু মারা যায়। রাতেই জীবিত অন্য দুই শিশু নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন ওই প্রসূতি মা। তবে রোববার সকালে জীবিত থাকা দুই শিশুও মৃত্যুর কোলে ঢোলে পরে।
কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া সাহা বলেন, মূলত অপরিণত হয়ে জন্ম হওয়ায় পাঁচ শিশুই মারা যায়।
বার্তাবাজার/এমকে