গ্যালারি থেকে ধোনি ধোনি বলে দর্শকদের সেই চিৎকার আর শোনা যাবে না। কেননা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ভারতরে সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। গতকাল(শনিবার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন।
ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আর ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ২০০টি ওয়ানডে, ৬০টি টেস্ট আর ৭২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নেতৃত্ব দেন ধোনি। তার অধিনায়কত্বে ভারত জিতে ১১০টি ওয়ানডে, ২৭টি টেস্ট ও ৪১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
শুধু অধিনায়কত্ব করেননি, নিজের ব্যাটিং এবং কিপিং দিয়েও রীতিমতো ক্রিকেটকে শাষন করেছেন ধোনি। ২০০৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিকে পথচলা শুরু হয় মহেন্দ্র সিং ধোনির।
সবশেষ গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের শেষ ম্যাচ খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। ৩৮ বছর বয়সী ক্রিকেট তারকা ভারতের হয়ে ৯০টি টেস্টে ৩৮.০৯ গড়ে ৬টি সেঞ্চুরির সাহায্যে সংগ্রহ করেন ৪ হাজার ৮৭৬ রান।
একদিনের ক্রিকেটে যতটা সফল, সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ততটা সফল নন ধোনি। ওয়ানডে ৩৫০ ম্যাচে ৫০.৫৭ গড়ে ১০টি সেঞ্চুরির সাহায্যে সংগ্রহ করেছেন ১০ হাজার ৭৭৩ রান। আর টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ৯৮ ম্যাচে অংশ নিয়ে ৩৭.৬০ গড়ে ১ হাজার ৬১৭ রান সংগ্রহ করেছেন ধোনি।
ব্যাটিংয়ের সাথে উইকেটের পিছনেও কম যাননি এম এস। তার মাস্টার মাইন্ডের কাছে ধরা খেয়েছেন অনেক তারকা ব্যাটসম্যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫৩৮ ম্যাচে কিপিং করে ধোনি স্টাম্পিং করেছেন ১৯৫ জন ব্যাটসম্যানকে।
কেএস/বার্তাবাজার