বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছরা পরিদর্শন করেছেন মামলার নিয়োগ প্রাপ্ত নতুন তদন্ত কর্মকর্তাসহ র্যাবের একটি দল।
আজ (শনিবার) দুপুরে দলটি বাহারছড়ার শামলাপুর এপিবিএন পুলিশের চেকপোস্ট পরিদর্শন করেন। তখন তাদের দেখে স্থানীয় ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা এগিয়ে আসে। স্থানীয় লোকদেরকে নির্ভয়ে সকল তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের সহকারী পরিচালক এএসপি খাইরুল ইসলাম জানান, কোনো অপরাধী যেন ছাড়া না পায় সেভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা কোনো পক্ষের না। প্রকৃত ঘটনা তুলে আনার জন্য কাজ করছি।
স্থানীয় লোকজন জানান, শনিবার বেলা সোয়া ২টার দিকে গাড়ির বহরে র্যাবের একটি দল অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার ঘটনাস্থল টেকনাফের বাহারছড়া এলাকায় পরিদর্শনে আসেন। তদন্ত দল ঘটনার প্রত্যক্ষর্দশী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এতে এক প্রত্যক্ষর্দশী, এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সিনহার মরদেহ মাটিতে কিভাবে পড়েছিল সেটির বর্ণনা দেন। বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে ইট দিয়ে শরীরের অবয়ব তৈরি করে ঘটনার সময় সিনহার রাশেদের অবস্থান বুঝার চেষ্টা করেন র্যাবের নতুন তদন্ত কর্মকর্তা। এসময় একটি প্রাইভেট কার দাড় করিয়ে সিনহা রাশেদের প্রতীকী অবস্থান তৈরি করেন। ঘটনার সময় এপিবিএন’র চেকপোস্টে বেরিকেড গুলো অবস্থান বুঝার চেষ্টা করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে তদন্তকারী দলটি ঘটনাস্থলে ঘুরে দেখেন এবং দেড় ঘন্টা ব্যাপী নানা তথ্য সংগ্রহ করে বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে তারা ঘটনাস্থল থেকে ফিরে যান।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন (অব.) সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান।
বার্তাবাজার/এসজে