অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ জামিল আহমেদ এর পরিবর্তে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসাবে মোহাম্মদ খায়রুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে: কর্ণেল আশিক বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নতুন আইও মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম র্যাবে কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের একজন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার।
লে:কর্ণেল আশিক বিল্লাহ আরো জানান, মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিনের করা জিআর: ৭০৩/২০২০, যার টেকনাফ থানার ৯/২০২০ নম্বর মামলায় গতকাল ১৩ আগস্ট তাঁকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগে জামিল আহমেদ (এএসপি) মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে ছিলেন।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম সম্পর্কে লে: কর্ণেল আশিক বিল্লাহ আরো বলেন, সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম একজন মেধা সম্পন্ন দূরদর্শী ও বিচক্ষণ কর্মকর্তা। অতীতে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর মামলার আইও হিসাবে তিনি সুনাম ও সফলতার সাথে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
কর্ণেল আশিক বিল্লাহ আরো বলেন, আজ শুক্রবার ১৪ আগস্ট সকালে নতুন আইও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম নেতৃত্বে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামি বরখাস্ত হওয়া ৪ পুলিশ সদস্য কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে রিমান্ডের জন্য তার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাথে টেকনাফের বাহারছরার মারশবনিয়া এলাকার সন্দেহজনক তিন আসামী নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছকেও জেলা কারাগার থেকে রিমান্ডের জন্য আইও এর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাগার ফটকে ৪ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় আইও। ফলে তাদেরকে আরো ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইও দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ১২ আগস্ট শুনানি শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারাহ্ তাদের প্রত্যেকের জন্য ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ।
বার্তা বাজার কে.কে