পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস আজ। মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) এই দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালন করবে।
মহাজির, সিন্ধি, বালুচ, পশতুন ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা এই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর এএনআই’র।
এছাড়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, আটক ও নিখোঁজ করার মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিত্যদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।
১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। জার্মানির নেতৃত্বাধীন অক্ষশক্তির জাপান আত্মসমর্পণ করে। ওই বছর জাপানের সম্রাট হিরোহিতো রেডিওতে দেওয়া এক বক্তৃতার মাধ্যমে মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের কথা জানান। মাউন্টব্যাটেন তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের সঙ্গে বসে শুনেছিলেন ওই ঘোষণা। দিনটির কথা বেশ মনে আছে মাউন্টব্যাটেনের। সেদিন ছিল ১৫ আগস্ট! মাউন্টব্যাটেন ছিলেন তখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান সেনাপতি।
তাহলে ১৪ আগস্ট এলো কীভাবে? আসলে আইন অনুযায়ী ভারতে ব্রিটিশ রাজ শেষ হয় একদিনেই, তা ১৫ আগস্ট। পাকিস্তানে প্রথম স্মারক ডাকটিকেটে কিন্তু বলা আছে ১৫ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীন পাকিস্তানে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘১৫ আগস্ট স্বাধীন এবং সার্বভৌম পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস।’
১৯৪৮ সাল থেকে পাকিস্তান ১৪ আগস্টকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট রাতটি ছিল রমজান মাসের ২৭ তারিখ। সালটি ছিল ১৩৬৬ হিজরি। ২৭ রমজানের রাতটিকে মুসলমানরা পবিত্র রজনী হিসেবে বিবেচনা করেন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি