চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে আসমা

নওগাঁয় হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেন পাইলস রোগী আসমা খাতনু (২৫)কে ভুল করে পিত্তথলী পাথরের অপারেশন করে পুণরায় আবারও পাইলস অপারেশান করায় মৃত্যুর সাথে আসমা এখন পাঞ্জা লড়ছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শহরের প্রাইম ল্যাব এন্ড জেনারেল হাসপাতালে। আসমা খাতুন জেলার বদলগাছী উপজেলার কাষ্টডোব গ্রামের হাবিবুর রহমানের কন্যা ও ২ সন্তানের জননী বলে জানা গেছে।

রোগীর ভাই আতোয়ার রহমান জানান, তার বোন আসমা খাতুন পাইলস রোগী। তাকে আপারেশান করানোর জন্য ১১ আগষ্ট দুপুরে ভর্তি করান শহরের প্রাইম ল্যাব এন্ড হাসপাতালে। ওই দিন ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত নওগাঁ হাসপাতালের সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুক্তার হোসেন ঐ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার ইসকেন্দার হোসেন আসেন অপারেশান থিয়েটারে। সেখানে ছিল ৩ জন পিত্তথলীতে পাথরের রোগী এবং আসমা খাতুন ছিল পাইলস এর অ্পারেশানের রোগী। সেখানে ভূল করে তাকে পিত্তথলীতে পাথরের জন্য অপারেশান কার্যক্রম শুরু করেন। আসমা খাতুন বাধা দিলেও ডাক্তার কোন কথা না শোনে অজ্ঞান করে কেটে দেখে পিত্তথলীতে পাথর নাই। পরে সেলাই করে ৬ তলার ১৫ নং কেবিনের বেডে নিয়ে আসে। পরে ৩ রোগীকে পিত্তথলীর অপারেশান করার পর পাইলস রোগী না পেয়ে অনেক খোঁজা খুজির পর আবারও আসমা খাতুনকে নিয়ে পুণরায় পাইলস অপারেশান করে। একই ব্যক্তিকে দুটি অপারেশান করায় বর্তমানে রোগী মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

বিষয়টি জানাজানি হলে ক্লিনিকের মালিক ইসকেন্দার ও মুক্তার হোসেন সটকে পড়েন। রোগীর তেমন কোন চিকিৎসা হচ্ছে না বলে জানান রোগীর স্বজনরা। এ বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত পূর্বক ডাক্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তারা।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কোন ফোন রিসিভ করে নাই।

এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ আখতারুজ্জামান আলালের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

বার্তা বাজার / ডি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর