মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বইছে। গতকাল শনিবার উপজেলার বয়রাগাদি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দৈনিক আমার সংবাদ ও রজত রেখা পত্রিকার সিরাজদিখান প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও তার বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ উদ্দিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাবেদুর রহমান জুবায়ের, সাবেক সভাপতি কাজী নজরুল ইসলামসহ সকল সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সুশীল সমাজ ও অরাজনৈতিক সংগঠন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট তাহমিনা আক্তার তুহিন, মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মাহী বি চৌধুরীর এপিএস উপাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বাচ্চু, লেখক ও গবেষক ড. সাইদুল ইসলাম অপু সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশফিকুন নাহার দুঃখ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের শরীরের খোঁজখবর নেন ও আইনি বিষয়ে সহায়তার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে মজু পান করাকে কেন্দ্র করে গোবরদী ও বয়রাগাদী গ্রামের কিশোরদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান করার জন্য গতকাল শনিবার (৮ আগষ্ট) গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে বয়রাগাদী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সালিশ বসে। সে সময় সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সাথে নিয়ে সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সেখানে উপস্থিত হন। সালিশের রায় না মেনে স্থানীয় মনির (৪৫) ও তার বড় ভাই আনোয়ারের (৪৮) নেতৃত্বে কিশোরদের ওপর হামলা চালায়। সালিশের মধ্যে হামলার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র তোলার সময় অভিযুক্ত ওই দুই ভাইয়ের নেতৃত্বে মেহেদী,সীমান্ত, সোহান,জিসান সহ ৪০-৫০ জনের সংঘবদ্ধ একটি দল সাংবাদিক মাসুদ ও তার ভাইয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এলাকাবাসী তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। অভিযুক্ত ওই দুইভাই বয়রাগাদী গ্রামের সাজার ছেলে।
বার্তা বাজার / ডি.এস