অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার মামলায় গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন ও পুলিশের এজাহারে গড়মিল।
রাত ৯টা ২৬ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিট। মাত্র চার মিনিটেই ঘটে ঘটনা। চেকপোষ্ট থামানোর পর সিনহা হাত তুলে আত্মপক্ষ সমর্থনেরও চেষ্টা করেন।
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে ঘটনার ব্যাপারে সুর্নিদিষ্ট এসব বিষয় ও সময়ের কথা উল্লেখ করলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয় ঘটনা সোয়া ১১টা। তথ্যেও রয়েছে ব্যাপক গড়মিল। ঘটনার পর পরই লিয়াকত কথা বলেছেন- ওসি প্রদীপ পুলিশ সুপারের ছাড়াও মালখানার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গেও।
৩১ জুলাই, রাত সোয়া ৯টা। টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরে বসানো হয় পুলিশ চেকপোস্ট। নেতৃত্বে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলী। রাত ৯টা ২৬ মিনিটে চেকপোষ্টে থামানো হয় মেজর সিনহার গাড়ি। মাত্র ৪ মিনিটেই সব ঘটনা।
গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, ঘটনার পরের কিছু তথ্য তাদের কাছে এসেছে। রাত সাড়ে ৯টায় লিয়াকত প্রথম ফোনটি করেন ওসি প্রদীপকে।
রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে কথা বলেন মালখানার দায়িত্বে থাকা কনষ্টেবলের আরিফের সঙ্গে। ধারণা, তাকে দিয়ে আনানো হয় ইয়াবা ও মাদক। একমিনিট পর রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে লিয়াকতের কথা হয় পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হাসানের সঙ্গে।
কিন্তু দায়ের করা মামলার এজাহারে মিলেছে ভিন্ন তথ্য। ঘটনার সময় উল্লেখে করা হয় সোয়া ১১টা। আর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে। মূল ঘটনার সময়ের চেয়ে প্রায় তিন ঘন্টা পর। অথচ ঘটনাস্থল আর কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ১ ঘন্টার পথ। এরকম সময় ক্ষেপন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার আসল কারণ জানতে প্রদীপ -লিয়াকতরাও এখন রিমান্ডে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি