বাড়ীতে যাতায়াতের পথ (রাস্তা) রেলিং দিয়ে ঘেরাকে কেন্দ্র করে গাংনীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। উপজেলার ধর্মচাকী স্কুলপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের সাথে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মহিলাসহ কমপক্ষে ৭ জন রক্তাক্ত জখম হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় গাংনী উপজেলার ধর্মচাকী গ্রামে সংঘষের্র ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলো, মৃত আব্দুল আজিজ মন্ডলের স্ত্রী জহুরা বেগম (৬৫),মৃত সুরাত আলীর ছেলে মুকুল হোসেন (৫৫), হারেজুল হকের ছেলে বিপুল হোসেন (২২)এবং প্রতিপক্ষ আকমান আলীর ছেলে আব্বাস আলী (২৬), আকমান আলীর স্ত্রী বেগুনা খাতুন (৪৫), মিজানের স্ত্রী মাবিয়া খাতুন (২৩), এবং আব্বাস আলীর স্ত্রী সুরভী খাতুন (২২) উভয় পক্ষের আহতরা গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতালে) চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার বিবরণে আহত মুকুল হোসেন জানান, উপজেলার ধর্মচাকী গ্রামে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে আমাদের বাড়ীর দখলীয় ৫ কাঠা জমির সীমানায় বাঁশের রেলিং দিতে গেলে প্রতিপক্ষ আকমান আলী গং এর লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমির মালিক ও তার লোকজনের উপর বাড়ীতে এসে মহিলাদের উপর হামলা ও রক্তাক্ত জখম করে । এসময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে টেংগর, মহির, লোকমান, আব্বাস, সাব্বান,হাশেম, আকমান ও নাসিম সহ আরও ৬/৭ জন দেশীয় অস্ত্র লাঠি-সোটা, শাবল , হাসুয়া, রড নিয়ে জমির প্রকৃত দখলদার মুকুলের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
অন্যদিকে আহত আব্বাস আলীর স্ত্রী সুরভী জানান, এবছর অতিবর্ষণে রাস্তায় কাঁদাপানি থাকায় আমরা প্রতিপক্ষের জমি দিয়ে যাতায়াত করে আসছিলাম। হঠাৎ করে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেয়ায় আমরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ি।বেড়া দিতে নিষেধ করায় হেলাল ও তার পরিবারের লোকজন আমাদের উপর হামলা চালায়। আমাদের মারধর করে। বর্তমানে উভয় পক্ষের লোকজন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এনিয়ে গ্রামের সাবেক মেম্বর রবিউল ইসলাম জানান, ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। থানা থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। আমরা উভয় পক্ষ কে নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার একটি আপোষ মীমাংসা করবো।
এ ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেগাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, ধর্মচাকী গ্রামের উভয় পক্ষ থেকে লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তা বাজার / ডি.এস