আরিফ চৌধুরী ও ডা. সাবরিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযোগপত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, ডা. সাবরিনা জেকেজির চেয়ারম্যান নয়, ছিলেন উপদেষ্টা।
গত ১৩ জুলাই করোনা পরীক্ষায় জেকেজির জালিয়াতি মামলার তদন্তভার পায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি মামলার তদন্তভার নেওয়ার পর এক মাসেরও কম সময়ে প্রতারণা মামলার চার্জশিট আদালতে জমা পড়লো।
ডিবির অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ডা. সাবরিনা ও আরিফ কৌশলে জেকেজির নামে করোনা পরীক্ষার অনুমতি নেয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোন যাচাই-বাছাই করেনি।
জেকেজির কম্পিউটার থেকে করোনা পরীক্ষার প্রায় দুই হাজার ভুয়া রিপোর্ট পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে জালিয়াতির মাস্টার মাইন্ড বলা হয়েছে আরিফুলকে। তার নির্দেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিরু তৈরি করতেন সনদ। আর সেই জালিয়াতির উপদেষ্টা ডা. সাবরিনা।
গত ২২ জুন জেকেজির প্রতারণা সামনে আসে। ২৩ জুন তেজগাঁও থানায় জেকেজির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
বার্তা বাজার / ডি.এস