রায়পুরে ১২ বছরের নাতনীকে ধর্ষণ করল ৫০ বছরের নানা

লক্ষ্মীপুরে বিয়ের নামে নিজের বাড়িতে রেখে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একই এলাকার সম্পর্কের নানা ওহীদ উল্যাকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

জেলার রায়পুরে উত্তর চরবংশী ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডে চরবংশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৫ আগষ্ট) দুপুরে শিশুকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে মেডিকেল রিপোটের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং লম্পট নানা বেকারি মালিককে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গ্রামবাসী ও পুলিশ জানান, রায়পুর-খাসেরহাট সড়কের ষ্টিল ব্রীজ সংলগ্ন বেকারির মালিক সুদ ব্যবসায়ী ও এলাকার সম্পর্কের নানা অহীদ উল্লাহর দুই সংসার রয়েছে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের সুন্দরী মেয়েদের টার্গেট করতো সে। সুযোগ বুঝে মা ও বাবাকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে কিশোরি ও শিশুদের ভোগ করতো।

একই কায়দায় অসহায় পরিবারকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে নন-জুডিশিয়াল সাদা স্টাম্পে দস্তখত নিয়ে ৭ম শ্রেনীর শিশুকে কৌশলে বিয়ের নামে বাড়ীতে রেখে ধর্ষন করে আসছিলো। আবার বিয়ে করার কাবিনও করে রাখে সে।

এঘটনা মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ এবং প্রতিবেশী ও স্বজনদের মধ্যে জানাজানির পর বুধবার দুপুরে হাজিমারা ফাঁড়ি থানার পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত শিশুসহ তার-অসহায় দিনমজুর বাবা মাকে সঙ্গে করে ওসির কাছে নিয়ে আসা হয়।

এ সময় সহাকারি পুলিশ সুপার স্পীনা রানী ও ওসিকে ঘটনার বর্ণনা করে নির্যাতনের শিকার ওই শিশু ও পিতা-মাতা। দুপুরেই মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ আটক করে নাতনিকে ধর্ষণকারী এলাকার সম্পর্কিত নানা অহিদ উল্লাকে।

রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল জলিল জানায়, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ধর্ষক এলাকার পরিচিত নানা অহিদ উল্লাকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শিশুকে মেডিকেল চেকআপের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় শিশির মা ধর্ষন মামলা করেছেন।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর