স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর নিহতের ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সেই তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের আগে কিছু বলা সমীচীন নয়। একটি নিরপেক্ষ তদন্তের পরই এ নিয়ে বলা হবে।
আজ রোববার(২ আগস্ট) ধানমণ্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাবেক সেনা সদস্য নিহতের ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনা হোক বা যাই বলেন ঘটনা তো একটা ঘটেছে। এটা অস্বীকারের কিছু নেই। সরকার এর সঠিক কারণ খুঁজে সামনে এনে দোষীকে শাস্তি দিতে বদ্ধপরিকর। আপনারা সাংবাদিকরা যতদূর শুনেছেন তা আপনাদের মধ্যে থাক। আমি যা শুনেছি তা আমার মধ্যেই থাকুক। তদন্তের আগে এ নিয়ে একটি কথাও বলতে চাচ্ছি না।
অভিযুক্ত সেই পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে কিনা – সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি যতদূর জানি, এখনও তাকে বরখাস্ত করা হয়নি। তবে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়টিও তদন্ত কমিটির ওপর নির্ভর। বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের পর যা বেরিয়ে আসবে তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সে কতোখানি সঠিক বা ভুল করেছে তা তদন্তের পর জানা যাবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর নিহত হন। নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজরের নাম সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (৩৬)। তার ওপর গুলি চালান বাহারছড়া ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ ইন্সপেক্টর লিয়াকত।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি