মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের হাটগুলোতে হঠাৎ বেড়ে গেছে গরুর দাম। হাটে গরু ছাগলের তুলনায় ক্রেতা বেশি, এই সঙ্কটের কারণে কোথাও কোথাও দ্বিগুণ দামে ও কোরবানির পশু কিনতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন পশুর সরবরাহ কম তাই সংকট দেখা দেওয়ায় দাম বেড়েছে অনেক। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের হাট গুলোতে গরু সঙ্কটের কারণে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে খুব কাছে হওয়ায় সিরাজদিখানের হাটগুলোতে এর প্রভাব পরে। গরু ও ছাগল না পেয়ে বিভিন্ন হাটে ছুটা ছুটি করছেন হাজারো ক্রেতা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) থেকে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় এই সঙ্কট তৈরি হয়। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই সিরাজদিখানের ৯ টি হাটে কোরবানির পশুর তুলনায় ক্রেতা সমাগম বেড়ে যায়। পরে গরু না পাওয়ার ভয়ে দ্বিগুণ দামে গরু কিনতে দেখা গেছে। ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন হাটে গরু ছাগলের সংকটের কারণে পাইকাররা এই সব হাট থেকে গরু ছাগল ঢাকার হাটগুলোতে নিয়ে সংকট আরো তীব্র আকার ধারণ করে। দাম বেশি হওয়ায় কৃষকের পালের গরু ও বিক্রি করতে দেখা গেছে।
সরজমিনে কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা যায় হাটে গরু ছাগলের সংখ্যা খুব কম। উপজেলার অন্যতম বড় হাট ইছাপুরা পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায় গরুর সঙ্কট। যা কিছু গরু আছে বিক্রেতারা দাম হাক্কাচ্ছে দ্বিগুণ। ঢাকা কেরানীগঞ্জ থেকে আসা সুমন বলেন, ঢাকায় গরু না পেয়ে ৫/৬ টি হাট ঘুরে এখানে আসছি, এখানেও একি অবস্থা। এখন গরু কিনতে পারি নাই। আজ শেষ দিন তাই দ্বিগুণ দামে ই গরু কিনতে হবে।
স্থানীয় এক বিক্রেতা বলেন, আমার ষাঁড়টি এ বছর বিক্রির ইচ্ছে ছিল না। শেষ দিন দাম বেড়ে যাওয়ায় নিয়ে আসছি, দেখি কত বিক্রি করতে পারি।
বালুর চর হাটের একি চিত্র। সেখানে গিয়েও দেখা যায় গরুর চেয়ে ক্রেতা বেশি। গাড়ি থেকে গরু হাটে নামলেই তা কিনতে ভিড় করেন অনেকে। বেশি দামে গরু কিনতে পারলেও অনেক খুশি।
হাটের গরু রাখার জায়গাগুলো খালি পড়ে আছে। পশু না পেয়ে অনেক ক্রেতা হতাশা প্রকাশ করেছেন। কোরবানির পশুর সংকট মোকাবিলায় গ্রাম থেকে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাকে করে গরু আসতে দেখা গেছে।
বার্তাবাজার/এসজে